৩০৮৪১ জনের পাসপোর্ট ইস্যু।

বাংলাদেশ কন্স্যুলেটের জেনারেল দুবাই এর প্রথম সচিব নূর-এ-মাহবুবা জয়া বলেন”পাসপোর্ট সংগ্রহকারী সহ বিভিন্ন চাপ থাকা পরেও আমরা নির্ধারিত সময় ছাড়া ও পাসপোর্ট সেবার জন্য অতিরিক্ত সময় কাজ করে যাচ্ছি। এই অতিরিক্ত সেবা দেবার কারণে আমরা একটি সন্তুষ্টি জনক পরিসংখান তৈরী করতে পেরেছি”।

এই সময় তিনি মোট কাজের একটি পরিসংখ্যান করে বলেন,  বৃহস্পতিবার পর্যন্ত  ৩০৮৪১ জনের মতো পাসপোর্ট রি-ইস্যু করা হয়।তার মধ্যে মেশিন রেডিবল পাসপোর্ট(এমআ রপি)সংখ্যায় রয়েছে ২১৩৮৩ জনের।হাতে লেখা পাসপোটের সংখ্যা আছে ৭৮৪৯ জনের।ইস্যুকৃত পাসপোর্টের অর্ধেকের বেশী লোক ভিসা ছাডা এই দেশটিতে অবস্থান করছে।

তবে উল্লেখ্য যে হাতের লেখা পাসপোর্টের মধ্যে পুলিশ ভ্যারিফেক্যাসনে রয়েছে ১০% মতো।এবং কাগজ পত্র না থাকার কারণে পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা ফিরে গেছেন ২% তবে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আমরা আমাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এবং যার উদাহরণ আজকের এই পরিসংখ্যান।

উল্লেখ্য যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গত ১লা আগষ্ট থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তিন মাস ব্যাপী। দেশটির সরকার সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করেন। দীর্ঘ ৬ বছর ধরে বাংলাদেশীদের ভিসা বন্ধ থাকার কারণে দেশটিতে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশীরা ও আবাসন আইন লংঘন করে অবৈধ ভাবে বসবাস করছে দীর্ঘ দিন ধরে।এতে করে অবৈধ বসবাসকারিদের জন্য এই সাধারণ ক্ষমা অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ হয়ে উঠে।

আমিরাত সরকারের সাধারণ ক্ষমার নিদৃষ্ট সময়ের মধ্যে অবৈধ বসবাসকারীগন যদি তাদের দেশে যেতে চায় তাহলে দেশে যেতে পারবেন।অন্যদিকে যদি বৈধ ভাবে তারা বসবাসকরতে চায় তাহলে তাও পারবে।

এমন সূবর্ণ সুযোগ ঘোষনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে অবৈধ ভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।এতে করে বাংলাদেশ দূতাবাস, ও আবুধাবী কন্স্যুলেটে  নতুন পাসপোট ও আউট পাসের জন্য প্রতি দিন হাজার হাজার লোকের ভীড় জমছে।আর এই চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে দূতাবাস ও কন্স্যুলেটকে।

আবুধাবীতে নিয়োজিত বাংলাদেশর রাষ্ট্রদূত ডা.মোহাম্মদ ইমরান বলেন “এবারের অ্যামেনেষ্টি অন্য বারের মতো নয়।কারণ অন্যান্য বার আউটপাস নিয়ে আমি দেশ ত্যাগ করতে বলা হলেও,এবার আমিরাত সরকার প্রবাসীদের এই দেশে থেকে ভিসা নিয়ে বৈধ হবার সুযোগ করে দিয়েছে।তাই এবার দূতাবা সে চাপটা একটু বেশী”।

এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমরা আমাদের অবৈধ ভাবে বসবাস কারী বাংলাদেশীদের সহজে পাসপোর্ট দেবার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।এই ক্ষেত্রে পাস পোর্ট আবেদনকারী গণের অনেক কাগজ-পত্র শিথিল করেছি।এতে করে আমি মনেকরি নিদৃষ্ট সময়ের মধ্যে আমরা আমাদের লক্ষে পৌছতে পারব।

“প্রথম দিকে জনবল কম থাকার কারণে বাংলাদেশ কন্স্যুলেট জেনারেল দুবা ই’তে একটু সমস্যায় পড়ে গেলেও পর্বরতিতে স্বাভাবিক হয়ে উঠে”বলে জানান কনসাল জেনারেল এস,বদিরুজ্জামান।

এই দিকে কন্স্যুলেটের লেবার কাউন্সেলর এ এস এম জাকির হোসেন বলেন”প্রথম দিকে মানুষ আউট পাস কম সংগ্রহ করলেও এখন শেষের দিকে এসে তারা বেশ সংগ্রহ করতে দেখা যাচ্ছে।গত আগষ্ট থেকে এই পর্যন্ত আমারা কাছে ৬৭১৫ জনের আউট পাস ইস্যু হয়েছে”।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *